Previous
Next

সর্বশেষ

17 July 2018

বাংলাদেশের বাইরের কোনো শক্তি দেশ পরিচালনা করছেঃ ফখরুল

বাংলাদেশের বাইরের কোনো শক্তি দেশ পরিচালনা করছেঃ ফখরুল

ফাইল ছবি
স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ আওয়ামী লীগ সরকারকে কে চালাচ্ছে? প্রশ্ন রেখে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ আর আগের আওয়ামী লীগে নেইআপনাদের দল কে চালায়? তা আমরা জানি নাআপনাদের সরকার কে চালায়, তা-ও আমরা জানি না, বুঝি নাআমাদের মনে হয় রাজনীতির বাইরের কোনো শক্তি, বাংলাদেশের বাইরের কোনো শক্তি দেশ পরিচালনা করছেগতকাল (সোমবার) দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সদর ও রুহিয়া উপজেলা বিএনপির বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্রতি বিএনপির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল বলেন, কোটা সংস্কারকারী আন্দোলনকারীদের প্রতি বিএনপির পূর্ণ সমর্থন রয়েছেএই আন্দোলনে যাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, অবিলম্বে তাঁদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছিসেই সঙ্গে শিক্ষক-ছাত্রদের ওপর যারা আক্রমণ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি

বিএনপি মহাসচিব বলেন, একদলীয় সরকার প্রবর্তন করার জন্য এ সরকার ভিন্নমত সহ্য করছে নাছেলেরা কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করছেআর আপনি (প্রধানমন্ত্রী) পার্লামেন্টে রেগে-মেগে বললেন সংস্কার কী, আমি কোটা প্রথাই রাখব নাছেলেরা কোটা বাতিল করার কথা বলেনি, তারা বলেছে কোটা সংস্কারের কথাসেটা না করে আপনি কোট তুলে দিলেনভালো কথা; তুলে দেয়ার পর তো ব্যবস্থা নিবেনপ্রজ্ঞাপন হবেদীর্ঘ সময়েও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় ছেলেরা আবারাও আন্দোলন শুরু করেছেএখন আপনি আপনার ছেলেদের দিয়ে তাদেরকে পেটাচ্ছেন, শিক্ষকদের পেটাচ্ছেন!

যথা সময়ে জাতীয় ঐক্য হবে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশে বর্তমানে যে সংকট, তা দূর হতে পারে একমাত্র একটি ইস্যুতে যদি সব রাজনৈতিক দল এক হয়আর সে ইস্যুটা হচ্ছে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় একটা নির্বাচন অনুষ্ঠান করাএ জন্য সংসদ ভেঙে দিতে হবেনির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে আমরা বলেছিলাম একদিন ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানদেখুন জনগণ আপনাদের অবস্থা কী করেওবায়দুল কাদের উত্তরে বললেন, এক ঘণ্টাও যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে থাকে তাহলে নাকি দেশে রক্তের নদী বয়ে যাবেতিনি আওয়ামী লীগের কর্মীদের বলেছেন, আপনারা টিকতে পারবেন নাহঠাৎ এই উপলব্ধি কেন? কারণ আওয়ামী লীগ নিশ্চিত যে, তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্নজোর করে, মানুষ খুন করেই তাদেরকে ক্ষমতায় টিকিয়ে থাকতে হবেসেজন্যই তারা দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছেন

তিনি বলেন, ৩ মাস আগেই আইনগতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার বেরিয়ে আসার কথাকিন্তু এই সরকার পরিকল্পিতভাবে একটার পর একটা মামলা দিয়ে বেগম জিয়াকে আটকে রেখেছেআপনারা জানেন কীভাবে মামলা তৈরি করা হয়, কিভাবে সেটাতে জড়িয়ে দেয়া হয়মিথ্যা মামলা দিয়ে আপনাদেরকে যেমনি জড়িয়ে দেয়া হয়; ঠিক তেমনি খালেদা জিয়াকেও মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করে রেখেছে সরকারকারাগারে খালেদা জিয়ার প্রতি যে আচরণ করা হচ্ছে তা বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কোনো নাগরিকের সঙ্গে করা হয় নাএই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবেতিনি আবারও জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের বিশ্বাস যথাসময়ে সব রাজনৈতিক দল এই আহ্বানে সাড়া দিবে

ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমীন, সহসভাপতি শাহেদ কালাম ডালিম চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ, রুহিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আনছারুল হক প্রমুখ
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুপ্রিমকোর্টে আইনজীবীদের মানববন্ধন

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুপ্রিমকোর্টে আইনজীবীদের মানববন্ধন


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ গণতন্ত্র ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরাসোমবার দুপুরে আইনজীবী ওয়ালিউর রহমান খানের সভাপতিত্বে গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলনের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক মাহবুবউদ্দিন খোকন, আইনজীবী মনির হোসেন, তৈমুর আলম খন্দকার, আবেদ রাজা, শওকাতুল হক, ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, গোলাম মোস্তফা, আরিফা জেসমিন, মোহাম্মদ আলী, এ বিএম রফিকুল হক তালুকদার রাজা, আনিছুর রহমান খান, গজী কামরুল ইসলাম সজল, আহসানউল্লাহ, মুক্তর কবীর খান, শরীফ ইউ আহমেদ, জুলফিকার আলী জুনু প্রমুখঅনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আইনজীবী মোহাম্মদ আইয়ুব আলী আশ্রাফী

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে উচ্চ আদালত সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার আতঙ্গে ভুগছেএজন্য খালেদা জিয়া ন্যায় বিচার পচ্ছেন নাএই অবৈধ সরকার খালেদা জিয়ার বিচারে হস্তক্ষেপ করছেজামিনযোগ্য মামলায় আদালত খালেদা জিয়ার জামিন বিবেচনা করছে নাতারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেবক্তারা অবিলম্বে শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানান

16 July 2018

মৌলভীবাজারে ভোক্তা অধিকার আইনে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

মৌলভীবাজারে ভোক্তা অধিকার আইনে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা


মুহম্মদ তাজুদুর রহমানঃ বাণিজ্য মন্ত্রনালয়াধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আল-আমিন এর নেতৃত্বে সোমবার ১৬ জুলাই সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাজার মনিটরিংমূলক অভিযান পরিচালিত হয়

উক্ত অভিযানে মেয়াদ উর্ত্তীণ ওষুধ ও খাদ্য রাখা, হোটেলের নোংরা পরিবেশে খাদ্য তৈরী করা, যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স সংগ্রহ না করাসহ বিভিন্ন অপরাধে ভাই ভাই সুইটস এন্ড বিরিয়ানীকে ২ হাজার টাকা, ফুড সিটিকে ২ হাজার টাকা, সুমন মেডিকেল হলকে ২ হাজার টাকাসহ মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও তা আদায় করা হয়এ সময় সহযোগীতায় ছিলেন মৌলভীবাজার  মডেল থানার পুলিশ ফোর্স
হাসপালে রোগীর নাতনিকে ধর্ষণ, চিকিৎসক আটক

হাসপালে রোগীর নাতনিকে ধর্ষণ, চিকিৎসক আটক


সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন এক রোগীর নাতনিকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৭ নং ওয়ার্ডের ডিউটি চিকিৎসকের কক্ষে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সোমবার হাসপাতাল থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসক মাক্কাম আহমদ মাহিনকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি ময়মনসিংহ মুক্তাগাছার মীর মখলিছুর রহমানের ছেলে। ভুক্তভোগীর বাবা পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘গত ৯ জুলাই টনসিলের অস্ত্রোপচারের জন্য আমার শাশুড়িকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৮নং ওয়ার্ডের ১৪ নং বেডে ভর্তি করি। সেদিন থেকেই নবম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে তার নানির দেখাশোনার কাজ করছিল।

তিনি বলেন, ‘রোববার রাতে শাশুড়ির গলায় অস্ত্রোপচার হয়। রাত দুইটার দিকে ডিউটি চিকিৎসক মাহিন কাগজপত্র নিয়ে আমার মেয়েকে তার কক্ষে যেতে বলেন। আমার মেয়ে কক্ষে গেলে তিনি দরজা লাগিয়ে ধর্ষণ করেন।

ধর্ষিতার বাবার ভাষ্যে, রাতে অনেকবার ফোন করা হলেও মেয়ে ধরেনি। এক পর্যায়ে ডাক্তার মাহিন ফোন রিসিভ করেন। কিন্তু, মেয়ের বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি। এ অবস্থায় আমরা হাসপাতালে এসে তার রুমে মেয়েকে অচেতন অবস্থায় পাই।তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মেডিকেলে দায়িত্বরত পুলিশকে জানালে তারা ডাক্তার মাহিনকে ওই কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। আর আমরা মেয়েকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেলের ওসিসি ওয়ার্ডে ভর্তি করি। বিষয়টি জানাজানি হলে সোমবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেপরে বেলা দুইটার দিকে একটি প্রাইভেটকারে করে হাসপাতালের পেছনের গেইট দিয়ে মাহিনকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়
এ সময় কোতোয়ালি থানার এসি সাদেক কাউসার দস্তগীর, ওসি মোশাররফ হোসেন সেখানে থাকলেও তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে চাননি

কোতোয়ালি থানার ওসি মোশাররফ হোসেন পরিবর্তন ডটকমের কাছে তিনি ইন্টার্ন চিকিৎসক মাহিনকে আটকের কথা স্বীকার করেন তবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নিস্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করা হবেমামলার পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান ওসি
মুসলিম শিক্ষিকা বোরকা পরায় উগ্র ইসলামবিদ্বেষীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে

মুসলিম শিক্ষিকা বোরকা পরায় উগ্র ইসলামবিদ্বেষীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ শ্রীলংকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একজন নবনিযুক্ত সদস্য স্কুলে বোরখা পরিধান করায় মুসলিম বিদ্বেষী সহিংসতার এবং বিক্ষোভ-মিছিল প্রদর্শন করেছে উগ্রবাদী বৌদ্ধরা।

ফাতিমা রামিজ একজন শিক্ষিকা যিনি শানমুগা হিন্দু মহিলা কলেজে বিগত বছর ধরে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। তিনি কখনোই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত হন নি। স্কুলটি ত্রিংকোমালি তে অবস্থিত যেটা শ্রীলঙ্কায় একটি বন্দর নগরী।

কিন্তু বিগত ২৪ এপ্রিল সবকিছু যেন বদলে গেল সেদিন ভোরে স্কুল এর কাছে চারজন গুন্ডা আরেকজন মুসলিম শিক্ষককে লাঠি দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করছিল। যখন রামিজ কাজে চলে আসলেন তখন ১৫০ জন হিন্দু বিক্ষোভকারী তারা স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল এবং স্কুলে কর্মরত জন মুসলিম শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিল তাদের দাবী ছিল  জন মুসলিম শিক্ষিকা তারা লম্বা বোরখা পরতে পারবেন না।

তারা পশুর মত চিৎকার করছিল যে মুসলিম শিক্ষিকাদের থেকে বের করে দাও বোরকা পরিধান করা নাকি হিন্দু সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে দেয় নাউজুবিল্লাহ অনেকেই রায়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ প্রসূত বক্তব্য তুলে দিচ্ছিল। বিক্ষোভ মিছিল থেকে ফেসবুকে মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দেয়া হচ্ছিল এবং সেটা শ্রীলংকার পূর্বাঞ্চলে জাতিগত সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল যা অদ্যবধি চলমান রয়েছে। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিরুদ্ধেও কিন্তু প্রতি বিক্ষোভ ও কিন্তু প্রদর্শিত হয়েছে অনেকেই কিন্তু প্রতিবাদস্বরূপ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ঘটনার পর প্রায় দুই মাস পার হয়ে গেলেও আজও এই উগ্র মুসলিম বিদ্বেষ প্রকাশের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।