Previous
Next

সর্বশেষ

23 February 2019

সব আসবাব পুড়ে কয়লা হলেও অক্ষত আছে পবিত্র কোরআন শরীফ ও পবিত্র হাদিস শরীফ!!

সব আসবাব পুড়ে কয়লা হলেও অক্ষত আছে পবিত্র কোরআন শরীফ ও পবিত্র হাদিস শরীফ!!


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের হাজী ওয়াহেদ ম্যানশন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এর দোতলার একটি ফ্ল্যাটের এই কক্ষে থাকা পবিত্র কোরআন শরীফ ও পবিত্র হাদিস শরীফের কোন ক্ষতি হয়নি।
  
পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া ওয়াহেদ ম্যানশনের ভেতরে রয়েছে বিস্ময়! আগুনে ভবনের ভেতরে থাকা সব আসবাব পুড়ে কয়লা হলেও অক্ষত আছে ভবনের দোতলার একটি ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে থাকা পবিত্র কোরআন শরীফ ও পবিত্র হাদিস শরীফ।

ওয়াহেদ ম্যানশনের নিচতলা থেকে শুরু করে প্রতিটি ফ্লোরই আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের সব ফ্লোরে আগুনের ভয়াবহতার চিহ্ন, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গোটা ভবনটি! সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে গেলে দেখা যায়, আগুনে পোড়া জিনিসপত্রগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। রান্নাঘরে চুলার উপরে থাকা হাঁড়ি, কড়াই সব পুড়ে কয়লা হয়ে আছে, খাবার ঘরে টেবিলে রাখা জগ, গ্লাস, প্লেট সবই পুড়ে গেছে। 

তবে ভবনটির দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে রাখা অনেকগুলো পবিত্র কোরআন শরীফ ও হাদিসের পুরোপুরি অক্ষত! বিস্ময়ের ব্যাপার হলো যে ভবনের ভেতর-বাইরে সব পুড়ে কয়লা, এমনকি আশপাশের ভবনও সেখানে খোদ ভবনের ভেতরেই অক্ষত আছে পবিত্র কোরআন শরীফ ও হাদিস শরীফ! সেখানে থাকলেও আগুন স্পর্শ করেনি।
৭০ ভাগ গণপরিবহন চালকের চোখে সমস্যা

৭০ ভাগ গণপরিবহন চালকের চোখে সমস্যা


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ ৭০ দশমিক ৪ শতাংশ গণপরিবহনের চালক দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন মানবিক সাহায্য সংস্থা (এমএসএস)।

তবে বাকি ১২ দশমিক ২২ শতাংশ ডান চোখ এবং ১৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ চালক বাম চোখের সমস্যায় ভুগছেন। এ পরিসংখ্যান এমএসএস’র সঙ্গে চালকদের মৌখিক জরিপের ভিত্তিতে পাওয়া গেছে।

রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ট্রাকস্ট্যান্ডে চোখের মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হবে। ফলে এ তথ্যের বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে প্রমাণ পাওয়া যাবে।

সংস্থাটি জানায়, গত ১ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকার ৭টি বাস-ট্রাক টার্মিনালে ৫০০ জন গণপরিবহন চালকদের ওপর প্রাথমিকভাবে প্রশ্নের উত্তরের ভিত্তিতে এ জরিপটি করা হয়েছে।

সেখানে ২০২ জন বাসচালক, ৪৭ মিনিবাসচালক, ১২০ লরিচালক এবং ১৩১ জন ছিলেন ট্রাকচালক। এদের মধ্যে ৪৩৭ জন আন্তঃজেলা রুটের ও ৬৩ জন মহানগর রুটের চালক। তাদের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর। আর এসব চালকদের কাজের অভিজ্ঞতা ১০ বছরের উপরে।

এ সময় জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন ‘আই কেয়ার প্রজেক্টে’র উপদেষ্টা তারিকুল গণি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এমএসএস চেয়ারম্যান ফিরোজ এম হাসান ও সহকারী পরিচালক স্বপ্না রেজা প্রমুখ।
কেমিক্যাল থাকার তথ্য গোপন করলেই কঠোর ব্যবস্থাঃ খোকন

কেমিক্যাল থাকার তথ্য গোপন করলেই কঠোর ব্যবস্থাঃ খোকন


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ পুরান ঢাকার কেমিক্যাল গোডাউন অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, এ কার্যক্রম ততক্ষণ পর্যন্ত চলবে যতক্ষণ পর্যন্ত এলাকায় কেমিক্যালের গোডাউনের অস্তিত্ব পাওয়া যাবে। কোনো বাড়ির মালিক কেমিক্যাল থাকার তথ্য গোপন করলে এবং সেটি পরে জানা গেলে, তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া ওয়াহেদ ম্যানসনের বেজম্যান্টে থাকা কেমিক্যাল অপসারণ কার্যক্রমের শুরুতে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসির মেয়র বলেন, আমরা ভেতরে গিয়ে গোডাউনটা দেখেছি। সেখানে বিপুল পরিমাণ কেমিক্যাল দেখেছি। তাই এর ভেতর যে কেমিক্যাল আছে, সেগুলো কে অপসারণের মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকার সম্পূর্ণ এলাকায় যত কেমিক্যাল গোডাউন আছে, সমস্ত কেমিক্যাল গোডাউন থেকে কেমিক্যাল অপসারণ করার মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করলাম।

বাসাবাড়ির মালিকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, এ অপসারণ কার্যক্রমে সব বাড়ির মালিককে অনুরোধ করছি, আপনাদের বাসায় কোনো অবৈধ কেমিক্যালের কারখানা কিংবা গোডাউন থাকলে আমাদের তথ্য দিন। কারণ আপনারা তথ্য না দিলে আমরা বিষয়টি সহজে জানতে পারবো না। প্রসাশনের পক্ষে কাজটি করতে কঠিন হবে। তাই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। যদি কোথাও দেখেন কেউ গোপনে কেমিক্যাল স্টোর করছে সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের খবর দিন। তথ্য পেলেই আমরা সেগুলো অপসারণ করবো। আর যদি তথ্য না দিয়ে গোপনে কেমিক্যাল স্টোর করার চেষ্টা করেন কেউ, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ পার পাবেন না।

পুরান ঢাকায় কোথাও অবৈধ কারখানা থাকলে ডিএসসিসির কন্ট্রোল রুমের ৯৫৫৬০১৪ নাম্বারে কল করেও তথ্য দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেন মেয়র সাঈদ খোকন। পরে ওয়াহেদ ম্যানসনে থাকা কেমিক্যাল ডিএসসিসির একটি ট্রাকে বোঝাই শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা।

কেমিক্যাল গোডাউন অপসারণ কার্যক্রম শুরু করে চলে যাওয়ার সময় মেয়রের পথরোধ করে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। এ সময় তারা ‘শুধু কেমিক্যাল অপসারণ নয়, গ্যাস সিলিন্ডারও অপসারণ করুন, করতে হবে। ’ তাৎক্ষণিক তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মেয়র বলেন, ‘আপনাদের দাবি মেনে নিচ্ছি আমরা। ’ এলাকায় যত ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার আছে, সেগুলোও অপসারণ কার্যক্রম চালানো হবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী হতে বিএনপি থেকে মনোনয়ন নিচ্ছেন ছাত্রদল নেতারা

ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী হতে বিএনপি থেকে মনোনয়ন নিচ্ছেন ছাত্রদল নেতারা


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ(ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক মনোনয়ন ফরম বিতরণ করছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আজ শনিবার সকাল ১০টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিসে দলের সিনিয়র নেতারা এর উদ্বোধন করেন। সকাল থেকে দলীয় মনোনয়ন বিতরণ ও জমা নেয়া হচ্ছে। সংগঠনের চূড়ান্ত মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে লড়তে আগ্রহীরা বিএনপির পার্টি অফিসে দলীয় মনোনয়ন উত্তোলন ও জমা দিতে পারছেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, রকিবুল হাসান বকুল, আমিরুল ইসলাম আলিম, ওমর ফারুক শাফিন, রাজীব আহসান, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানসহ অনেকে।

এই মনোনয়ন ফরম থেকে ডাকসু ও হল সংসদের জন্য ছাত্রদলের প্যানেল চূড়ান্ত করবে দলের কেন্দ্রীয় ও ঢাবি ছাত্রদলের শীর্ষ নেতারা। উল্লেখ্য, ১১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক এস এম মাহফুজুর রহমান। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা যাবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার শেষ তারিখ ও মনোনয়ন বাছাই। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি।

যাচাই-বাছাইয়ের পর ৩ মার্চ হলের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। ভোটগ্রহণ হবে ১১ মার্চ (সোমবার) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
ভারতে কার্পেট কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১১

ভারতে কার্পেট কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১১


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের উত্তর প্রদেশের ভাদোহি জেলার একটি কার্পেট কারখানায় বিস্ফোরণে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বিস্ফোরণ ঘটে। কারখানার সামনের অংশটি আতশবাজি তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। মূলত আতশবাজি থাকার কারণেই বিস্ফোরণটি ব্যাপক আকার ধারণ করে। 

বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে পুরো ভবনটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ধসে পড়ে তিনটি ঘর।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই’র প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও ন্যাশনাল ডিজেস্টার রেসপন্স ফোর্সের (এনডিআরএফ) একটি দল।