Previous
Next

সর্বশেষ

21 April 2019

সৌদি আরবে পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রে হামলা, নিহত ৪

সৌদি আরবে পুলিশের তদন্ত কেন্দ্রে হামলা, নিহত ৪

ছবিঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি পুলিশী তদন্ত কেন্দ্রে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে হামলাকারীদের চারজন নিহত হয়েছে বলে খবর দিয়েছে দুবাইভিত্তিক সৌদি মালিকানাধীন আলআরাবিয়া টেলিভিশন।

রোববার রিয়াদের উত্তরাঞ্চলে পুলিশের আল-জুলফি তদন্ত কেন্দ্রে এ হামলা চালানো হয়। তবে হামলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, চারজন হামলাকারীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে হামলার ঘটনার সমাপ্তি ঘটেছে।
‘মুসলিমরা গরুর বাছুর নয়, তারাও মানুষ’

‘মুসলিমরা গরুর বাছুর নয়, তারাও মানুষ’

ছবিঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ জেলখানার মুসলিম বন্দীর শরীরে লোহার গরম শিক দিয়ে ‘ওঁ’ চিহ্ন এঁকে দেওয়ার অভিযোগে চটেছেন অল ইন্ডিয়া মজলিসে ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের প্রেসিডেন্ট ও হায়দরাবাদ লোকসভার সদস্য ব্যারিস্টার আসাদউদ্দিন ওয়াইসি । তিনি বলেছেন, ‌‘মুসলিমরা গরুর বাছুর নয়, তারাও মানুষ।’

মুসলিমসহ সংখ্যালঘুদের বিভিন্ন নতুন উপায়ে হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন এই মুসলিম নেতা। টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে হায়দরাবাদের এ সাংসদ বলেন, প্রতিদিন নতুন নতুন পদ্ধতি বের করে সংখ্যালঘুদের হেনস্তা ও অপমানিত করা হচ্ছে। এ ধরণের আচরণ নির্মম ও অমানুষিক। মুসলিমরা গরু বাছুর নয়। তারাও মানুষ। (এখন এটা যেন না বলা হয় নাবিরের শরীরে ওই বিশেষ চিহ্ন খোদাই করার পেছনে অন্য কারণ আছে)।

দিল্লির তিহার জেলে মুসলিম বন্দিকে হিন্দুধর্ম গ্রহণে চাপাচাপি ও তার ওপর চালানো অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় দেশটির দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

তিহার জেলখানার মুসলিম বন্দী শরীরে লোহার গরম শিক দিয়ে ‘ওঁ’ চিহ্ন এঁকে দেওয়ায় বিতর্কের মুখে পড়েছে ভারতের কর্তৃপক্ষ। নাবির নামের এক বন্দী অভিযোগ তুলেছেন, জেল কর্তৃপক্ষ তাকে নির্মমভাবে মারধর করেছে এবং উপোষ করতে বাধ্য করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আজকালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অবৈধ অস্ত্র চোরাচালানের মামলায় জেল হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধি করার জন্য নাবিরকে তোলা হয়েছিল দিল্লির কড়কড়ডুমা আদালতে। সেখানেই এই অভিযোগ তোলেন তিনি। সবার সামনেই নিজের জামা খুলে বিচারপতিকে দেখান তার পিঠের চিহ্নটি।

নাবিরের পিঠে দেখা যায়, প্রায় ৬ ইঞ্চি বড় ওই ‘‌ওঁ’‌ চিহ্নটি তার বাম কাঁধের একটু নিচে খোদাই করা।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে জেল কর্তৃপক্ষ। জেল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, যদি জোর করে ওই চিহ্নটি খোদাই করা হতো তাহলে এত সুষ্ঠুভাবে সেটি সম্পন্ন হত না।

যদিও বিচারপতি জেল কর্তৃপক্ষের এই বক্তব্যকে বিশ্বাস না করে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে কারা বিভাগের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল অব প্রিজনের ওপর।

রায়ে বিচারপতি বলেন, ‘‌ঘটনার প্রয়োজনীয় সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া অন্যান্য বন্দীদের জবানবন্দিও নেওয়া হবে। জেলের বন্দীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার বিষয়টি যাতে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়, সেই ব্যাপারেও নির্দেশ দেওয়া হলো কারা কর্তৃপক্ষকে।’

অবৈধ অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে দোষী নাবিরকে রাখা হয়েছে তিহারের জেলের চার নম্বর সেলে। একইসঙ্গে আদালতের নির্দেশ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে তিহার জেল কর্তৃপক্ষ। তারপরেই রায় দেওয়া হবে। তবে যতদিন না তদন্ত প্রতিবেদন আসছে, ততদিন ওই বন্দীকে অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গির্জা-হোটেলে বিস্ফোরণে শ্রীলঙ্কায় নিহত ১৮০, সেনা মোতায়েন

গির্জা-হোটেলে বিস্ফোরণে শ্রীলঙ্কায় নিহত ১৮০, সেনা মোতায়েন

ছবিঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে উদযাপনকালে শ্রীলঙ্কায় ৬টি এলাকায় গির্জা ও হোটেলে বোমা বিস্ফোরণে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮০ জনে দাঁড়িয়েছে। আজ রোববার সকালে রাজধানীর কলোম্বসহ এর কাছাকাছি ছয়টি স্থানে এ হামলায় আহত হয়েছেন পাঁচ শতাধিক মানুষ। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেনা মোতায়েন করেছে দেশটির সরকার।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, রোববার সকালে ইস্টার সানডের আয়োজনকে ঘিরে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পৌনে ৯টার মধ্যে কোচচিকাদে এলাকার সেইন্ট অ্যান্থনি চার্চ, কাটুয়াপিতিয়ার সেইন্ট সেবাস্টিয়ানের চার্চ এবং বাত্তিকালোয়ার একটি গির্জায় বোমা হামলা চালানো হয়। এর কিছুক্ষণ পর রাজধানী কলম্বোর তিনটি হোটেল-সাংগ্রি লা, কিংসবারি ও সিনামন গ্র্যান্ড হোটেলেও বোমা বিস্ফোরণ হয়। এখন পর্যন্ত কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি।

ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলগুলো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।  বিমানবন্দরগুলোতে জোরদার করা হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা।  আগামী ২৩ তারিখ পর্যন্ত দেশটির সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।

পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, হামলার সময় গির্জায় পাঁচ শতাধিক মানুষ প্রার্থনারত অবস্থায় ছিলেন।

বিস্ফোরণে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত দুজন বিদেশি আছেন। এ বিষয়ে শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, গির্জা ও হোটেলে সিরিজ বোমা হামলায় কোনো বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শ্রীলঙ্কান পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে হতাহতদের উদ্ধার করা হচ্ছে।  স্থানীয় বাটিকালোয়ার হাসপাতালে আহত অবস্থায় তিন শতাধিক ব্যক্তিকে ভর্তি করা হয়েছে।  যাদের বেশিরভাগ মানুষের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

এদিকে ঘটনার কিছুক্ষণ পর এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি উদ্ধারকর্মীদের কাজে সবাই সহযোগিতারও আহ্বান জানান।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন।

শ্রীলঙ্কার অর্থমন্ত্রী মঙ্গলা সামারাবিরা এক টুইটে জানান, হত্যার উদ্দেশে সুসংগঠিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলায় অনেক নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
গাজায় হামাসের অবস্থানে ইসরাইলের হামলা

গাজায় হামাসের অবস্থানে ইসরাইলের হামলা

ছবিঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের অবস্থানে স্থল ও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। গাজা উপত্যকা ও ইসরাইলের সীমান্ত জুড়ে হামাসের তিনটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে শুক্রবার ইহুদিবাদী বাহিনী হামলা চালায়। তবে এসব হামলায় কেউ হতাহত হয়নি বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। খবর এএফপির।

ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, গাজা থেকে সীমান্তের ওপারে ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে গাজা থেকে ছোঁড়া গুলিতে কোনো ইসরাইলি সেনা আহত হয়নি।

এদিকে, গাজা-ইসরাইল সীমান্ত বেড়ার কাছে শুক্রবার দিনভর ফিলিস্তিনি জনগণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এ সময় ইসরাইলি সেনাদের ছোঁড়া টিয়ার শেল ও শটগানের গুলিতে ৪২ ফিলিস্তিনি আহত হন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কেদরা জানিয়েছেন।

২০১৮ সালের ৩০ মার্চ থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইহুদিবাদী সেনারা গুলি করে অন্তত ২৭০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এ সময়ে আহত হয়েছেন আরো প্রায় ১৬ হাজার ফিলিস্তিনি।

২০০৭ সালের জুন মাস থেকে গাজা উপত্যকার ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে রেখেছে ইহুদিবাদী ইসরাইল।
মোকাব্বির খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

মোকাব্বির খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ফাইল ছবি
স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ দলীয় অনুমোদন ছাড়া সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ায় জন্য মোকাব্বির খানকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছে গণফেরাম। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসন থেকে গণফোরামের দলীয় প্রতীক উদীয়মান সূর্য নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। গত ২ এপ্রিল সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন তিনি।

গতকাল শনিবার গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙের অভিযোগে মোকাব্বির খানের বিরুদ্ধে এই কারণ দর্শানো নোটিশ জারির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এতে বলা হয়, সভায় এক সিদ্ধান্তে গঠনতন্ত্রের ৮ম ধারা মোতাবেক দলের লক্ষ্য, আদর্শ, নীতি, গঠনতন্ত্র, কর্মসূচি পরিপন্থী কাজের জন্য মোকাব্বির খানকে কারণ দার্শনো নোটিশ জানানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’ সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। দলের মিডিয়া সেলের লতিফুল বারী স্বাক্ষরিত দলীয়বি জ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট উপস্থাপন করেন মোস্তফা মোহসীন মন্টু। 

রিপোর্টে বলা হয়, একাদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে অনেক প্রশ্ন ও সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা করে, নির্বাচনে অংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু সরকার ৩০ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠিত নির্বাচন পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তায় ২৯ ডিসেম্বরের রাতেই সম্পন্ন করে। চরম রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস সৃষ্টি করে বিরোধী দলকে নির্বাচনের মাঠে নামতে না দিয়ে এবং ভোটারদের ভোট দিতে না দিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সেই নির্বাচনকে প্রত্যাখান করে গণশুনানী অনুষ্ঠান, প্রতিবাদ সভা-মানববন্ধন সহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে, যা অব্যাহত আছে।

রিপোর্টে আরো বলা হয়, প্রহসনের সংসদ নির্বাচনের কারণে বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থার উপর জনগণের চরম অনাস্থা সৃষ্টি হয়। তার প্রমাণ ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তর ও সাম্প্রতিক অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন। সরকার শত চেষ্টা করেও জনগণকে ভোট কেন্দ্রে নিতে পারেনি, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য অশনি সংকেত। দেশে চলছে চরম রাজনৈতিক হয়রানি, সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠানে করছে নানা রকম বাধা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রদান। চলছে ডিজিটাল আইনের চরম অপপ্রয়োগ। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো লুটপাট ও অব্যবস্থার কারণে দেওলিয়া প্রায়, পুঁজি পাচারের ক্ষত বেড়েই চলছে, শেয়ার বাজার ধ্বংস প্রায়, আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার চরম অবনতি, প্রতিকার বিহীনভাবে বেড়ে চলছে ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মফিজুল ইসলাম খান কামাল, এ্যাড. সুব্রত চৌধুরী, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, রেজা বিকরিয়া, মেজর জেনারেল অব. আ ম সা আ আমীন, এ্যাড. এস এম আলতাফ হোসেন, এ্যাড.জগলুল হায়দার আফ্রিক, এ্যাড. মোহসীন রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল হক, এ্যাড. সগীর আনোয়ার, মোশতাক আহমেদ, আইয়ুব খান ফারুক, রফিকুল ইসলাম পথিক, হারুনুর রশীদ তালুকদার, খান সিদ্দিকুর রহমান, মোহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, আব্দুল হাছিব চৌধুরী, এ্যাড. জানে আলম, ফরিদা ইয়াছমীন, এ্যাড. সেলিম আকবর, আব্দুর রহমান জাহাঙ্গীর প্রমুখ।