Previous
Next

সর্বশেষ

22 July 2019

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে সংখ্যালঘু কমিশনে স্মারকলিপি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে সংখ্যালঘু কমিশনে স্মারকলিপি


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কাঁকিনাড়া ভাটপাড়া এলাকায় মুসলিমদের উপরে আক্রমণের প্রতিবাদে সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের পক্ষ থেকে রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। আজ (সোমবার) সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যানের দফতরে স্মারকলিপি দেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে গত রমজান মাস (মে, ২০১৯) থেকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার কাঁকিনাড়া ভাটপাড়া এলাকার সংখ্যালঘু মুসলিমদের উপরে পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ চলছে। মুসলিমদের দোকানপাট বেছে বেছে লুটপাট ও ভাঙচুর করা হচ্ছে। এমনকী নামাজের সময় মসজিদের বাইরে শক্তিশালী বোমা ফাটানো হচ্ছে। অপরাধীরা পুলিশের সামনে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

যুব ফেডারেশনের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু কমিশনের এক প্রতিনিধিদল গোলযোগপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

এপ্রসঙ্গে আজ (সোমবার) সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘দু’মাস ধরে ভাটপাড়া, কাঁকিনাড়া এলাকার সংখ্যালঘু মানুষদের উপরে নির্মমভাবে অত্যাচার চলছে। দেখে দেখে সংখ্যালঘু মুসলিমদের দোকানগুলো ভাঙা হচ্ছে, বাড়িগুলো লুট করা হচ্ছে, মসজিদে যাতে মানুষ নামাজ পড়তে না যেতে পারে সেজন্য মসজিদের বাইরে বোমা মারা হচ্ছে। সমগ্র ঘটনা ঘটছে পুলিশ প্রশাসনের সামনে। কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার করে পুলিশ প্রশাসন অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে তারা অপরাধীদেরকে ছেড়ে দিচ্ছে এবং গোটা ঘটনায় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। এসবের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আস্থা হারিয়ে আমরা পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য স্মারকলিপি দিয়েছি।’ সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান আবু আয়েশ মণ্ডল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান জানান।

এর আগে ভাটপাড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাকসুদ  আলম গণমাধ্যমে বলেছিলেন, ‘নির্বাচনের পর থেকে বারবার সংখ্যালঘুদের উপরে আক্রমণ চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখান থেকে সাতশ’/আটশ’ সংখ্যালঘুদের বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এলাকাছাড়া হয়েছেন বহু মানুষ। বহু দোকান ও বাড়ি লুট করা হয়েছে। ঘরছাড়া ও আক্রান্তদের তালিকা প্রশাসনকে দেয়া হয়েছে। আমরা চাই প্রশাসন সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক।’

সেসময় গোলযোগপূর্ণ ভাটপাড়া এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে রাজ্যের জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিসেবা দফতরের মন্ত্রী মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী জানিয়েছিলেন। পুলিশ প্রশাসন পদক্ষেপ না করলে সব উড়িয়ে দিত, কবেই সব শেষ হয়ে যেত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।   লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে ভাটপাড়া, কাঁকিনাড়া এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিজেপি ও তৃণমূল আশ্রিত দুর্বৃত্তদের সহিংসতায় সংখ্যালঘু মুসলিমরা এখানে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
হিন্দুরা মামলা করে প্রমাণ করল তারা নির্যাতিত নাঃ ব্যারিস্টার সুমন

হিন্দুরা মামলা করে প্রমাণ করল তারা নির্যাতিত নাঃ ব্যারিস্টার সুমন


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কটূক্তি করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। হিন্দু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি সুমন কুমার রায় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে দুপুরে মামলা করা হয়েছে। মামলার শুনানি হবে। এ ছাড়া ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করা হয়েছে।’

সোমবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারক আস-শামস জগলুল হোসেনের আদালতে এ মামলা করেন গৌতম কুমার এডবর নামক রাজধানীর ভাষাণটেকের এক সমাজসেবক।

এ মামলা নিয়ে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, আমার বিরুদ্ধে মামলা করে হিন্দুরা প্রমাণ করল যে তারা নির্যাতিত না। তারা বাংলাদেশে সুন্দর এবং শান্তিতে বসবাস করছেন। আমি আগেও বলেছি যে আমার ফেইক আইডি দিয়ে এমন মিথ্য প্রচার করা হয়েছে। আমি গত মাসে রাজধানীর শাহাবাগ থানায় এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি বলতে চাই, আমার বিরুদ্ধে গৌতম কুমার এডবর যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটা করেছেন সেটা ভুল।

ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে এ মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমন ফেসবুকে বলেন, পৃথিবীর মধ্যে নিকৃষ্ট এবং বর্বর জাতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী, যাদের ধর্মের কোনো ভিত্তি নেই। মনগড়া বানানো ধর্ম। হয়তো দুই একটি খবর নিউজে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া আরও আনেক ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়, তাদের নৃশংসতার আড়ালে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৯ এপ্রিল সনাতন ধর্ম ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে মিথ্যা, অশ্লীল চরম আপত্তিকর মন্তব্য করেন। যার ফলে হিন্দু সমাজ তথা গোটা জাতির মধ্যে এ বিষয় নিয়ে চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। আসামির এরকম আচরণ এবং সোস্যাল মিডিয়ার অশ্লীল অবমাননাকর ও অরুচিপূর্ণ বক্তব্যর ফলে রাষ্ট্র ও হিন্দু সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে। আসামির এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য প্রধানের ফলে সাধারণ জনগণ নীতিভ্রষ্ট, অসৎ হইতে উদ্ধত হওয়ায়র ফলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন হওয়ার সম্ভবনা আছে।

কিন্তু এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার সুমন আগে থেকেই বলে আসছেন তার এই ফেসবুক আইডিটি ফেক। তিনি গত ২০ জুলাই তার ভেরিফাইড ফেসবুকে লিখেন, ‘আমার নাম ব্যাবহার করে একটি ফেক পেজ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিষেদগার করছে। আমি এ বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি। আপনারা সচেতন থাকবেন। এটাই আমার একমাত্র পেজ যার ফলোয়ার ২০ লাখের অধিক।
ধর্ষণের সমাধান মৃত্যুদণ্ড নয়, ধর্ষকদেরও বেঁচে থাকার অধিকার আছেঃ তসলিমা নাসরিন

ধর্ষণের সমাধান মৃত্যুদণ্ড নয়, ধর্ষকদেরও বেঁচে থাকার অধিকার আছেঃ তসলিমা নাসরিন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ধর্ষণ কোনো যৌন আচরণ নয়। বরং এটা একটি অন্যায়। তাই এটা সমূলে ধ্বংস করতে হবে।’ এইবার ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ডের বিপক্ষে মত দিলেন বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরীন। ভারতে ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় কঠিন শাস্তির নয়া বিধান চালু করেছে সরকার। ১২ বছরের নিচে কোনো শিশুকে ধর্ষণ করা হলে ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে।

এই মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে তসলিমা বলেন, কেউ ধর্ষক বা খুনী হয়ে জন্ম নেয় না। সমাজই তাদের এমন বানিয়েছে। নারীদের সম্পর্কে পুরুষের ধারণা বদলাতে হবে। মৃত্যুদণ্ড কখনও ধর্ষণের সমাধান নয়। সবারই বেঁচে থাকার অধিকার আছে। প্রত্যেকেরই ভালো মানুষ হওয়ার সুযোগ পাওয়া উচিত। কেরালায় নিজের লেখা বই ‘স্প্লিট-এ লাইফ’ প্রকাশ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তসলিমা।

তিনি আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলেও ধর্ষণ কমছে না। তাই আমাদের ছেলেদের সঠিকভাবে শিক্ষা দিতে হবে। তাদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। তাহলেই এ ধরনের অপরাধ থেকে তাদের দূরে রাখা যাবে। মৃত্যুদণ্ড দিলেই ধর্ষণ বা অন্য কোনও অপরাধ কমে যাবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বন্যা কবলিত সবাই ত্রাণ পাওয়ার মতো ননঃ দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

বন্যা কবলিত সবাই ত্রাণ পাওয়ার মতো ননঃ দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. মুহম্মদ এনামুর রহমান বলেছেন, লাখ লাখ লোক বন্যাকবলিত। কিন্তু তাদের সবাই ত্রাণ পাওয়ার মতো নন। কারণ যাদের সামর্থ আছে, জমানো অর্থ আছে- তাদের ত্রাণের প্রয়োজন নেই। এমনকি সরকারিভাবে দেয়া এসব ত্রাণ গ্রহণ করতেও তারা সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না। তবে যারা সত্যিকারের দরিদ্র তাদের ত্রাণের সমস্যা হবে না। বন্যাকবলিত সব জেলাতেই মনিটরিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই যখন যা প্রয়োজন সেটা বরাদ্ধ দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মাইঝবাড়ীতে বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব বলেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অন্যান্য বছরের চেয়ে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম এবার সুষ্ঠু ও গতিশীল হয়েছে। যে কারণে এ পর্যন্ত একটি মানুষও না খেয়ে মারা যায়নি। যে কদিন মানুষ ঘরে ফিরতে না পারবে, সে কদিন ত্রাণ তৎপরতা সরকারিভাবেই অব্যাহত থাকবে। বন্যা শেষে দরিদ্র ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাণিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, বগুড়ার ধুনট-শেরপুর আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নকশা বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মোতাহার হোসেন, জেলা প্রশাসক ড. মুহম্মদ ফারুক আহম্মদ প্রমুখ। এর আগে স্পিটবোটযোগে কাজিপুরের কয়েকটি চরাঞ্চলের বানভাসিদের খোঁজখবর নেন দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ও প্রাণিসম্পদ উপমন্ত্রী।
বিএনপি-জামায়াতের নিখুঁত ষড়যন্ত্রে হচ্ছে খুন,ধর্ষণ,গণপিটুনিঃ আইনমন্ত্রী

বিএনপি-জামায়াতের নিখুঁত ষড়যন্ত্রে হচ্ছে খুন,ধর্ষণ,গণপিটুনিঃ আইনমন্ত্রী

ফাইল ছবি
স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে কোন একটা ঘটনা ঘটলে তারপর কিছুদিন ওই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। যেমন পুরান ঢাকায় অগ্নিকাণ্ডের পরবর্তী কিছুদিনের মধ্যে পরপর কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো। আবার পরপর কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটলো। এখন আবার গণপিটুনি দিয়ে সাধারণ মানুষকে মেরে ফেলার ঘটনা ঘটছে।

তিনি বলেন, এগুলো নিছক দুর্ঘটনা নয়। এগুলো আসলে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের নিখুঁত ষড়যন্ত্র। তাই এ ব্যাপারে আমাদের সজাগ থাকতে হবে।

সোমবার (২২ জুলাই) নেত্রকোনায় জেলা আইনজীবী সমিতির পাঁচ তলাবিশিষ্ট নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, ১৯৭৫ সালের পর দীর্ঘ সময় দেশে আইনের শাসন ছিল না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

এসময় তিনি বলেন, আইনের শাসন একদিনে প্রতিষ্ঠা হয় না। যে দেশকে (যুক্তরাজ্য) আইনের শাসনের উদাহরণ হিসেবে মনে করা হয়, সেখানেও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে দুইশ বছর সময় লেগেছে।

তিনি বলেন, টকশোতে সমালোচনা করা হয় যে, বাংলাদেশ আইনের শাসনের দুর্বলতা আছে। তাদের বোঝা উচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার বয়স কত এবং এর মধ্যে কত বছর এদেশে সামরিক শাসক চলেছে। আর কত বছর আইনের শাসনের পরিপন্থী ইনডেমনিটি আইন বলবৎ ছিল।

আইনমন্ত্রী বলেন, সংসদের আগামী অধিবেশনে ল্যান্ড সার্ভ ট্রাইব্যাল আইন সংশোধন করে যুগ্ম জেলা জজের পাশাপাশি সহকারী জজ ও সিনিয়র সহকারী জজকে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যালের মামলা পরিচালনার এখতিয়ার দেওয়া হবে।

সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিতাংশু বিকাশ আচার্য্য এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অসীম কুমার উকিল এমপি, হাবিবা রহমান খান শেফালী এমপি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক খান মুহম্মদ আবদুল মান্নান, আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, নেত্রকোণার জেলা জজ আবু মুহম্মদ আমিমুল এহসান প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

এরপর নেত্রকোনা জেলা জজ আদালতে সেখানকার বিচারকদের সঙ্গে বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী। বৈঠকে তিনি বিচারকদের দ্রুত বিচারসেবা প্রদানের অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, দ্রুত বিচার সেবা না দিলে জনগণ স্ট্রিট জাস্টিস প্রথায় নেমে পড়বে।