Previous
Next

সর্বশেষ

23 September 2019

সৌদির বিমান হামলায় ইয়েমেনের এক মসজিদে একই পরিবারের ৫ জন নিহত

সৌদির বিমান হামলায় ইয়েমেনের এক মসজিদে একই পরিবারের ৫ জন নিহত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা বলেছেন, দেশটির ওমরান প্রদেশে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় একটি পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আল-মাসিরাহ টেলিভিশনের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন তথ্য জানিয়েছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট একটি মসজিদে হামলা চালায়। হামলা শুরু হওয়ার সময় নিহতরা ওই মসজিদে আশ্রয় নিয়েছিলেন। একই পরিবারের আরও দুটি শিশু নিখোঁজ রয়েছে।

তাদের খোঁজে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তল্লাশি চলছে। এ বিষয়ে সৌদি আরবের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এমন এক সময়ে এই হামলা চালানো হয়েছে, যার সপ্তাহখানেক আগে সৌদি আরবের দুটি তেল স্থাপনায় হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় দেশটির তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে পড়েছিল।

যদিও সৌদি ও যুক্তরাষ্ট্র ওই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করছে। ইরান বারবার সেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এদিকে শান্তি উদ্যোগের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে সব ধরনের হামলা বন্ধ করার যে প্রস্তাব হুতি বিদ্রোহীরা দিয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বিবিসি জানিয়েছে, এই প্রস্তাব যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানোর ইচ্ছার শক্তিশালী বার্তা দিতে পারে বলে এক বিবৃতিতে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘ।

সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এক সপ্তাহ পর হুতিরা এ প্রস্তাবটি দিয়েছে।
‘মোদি হলো সন্ত্রাসী,’ হাস্টনের বিক্ষোভে শিখ-কাশ্মীরিরা (ভিডিও সহ)

‘মোদি হলো সন্ত্রাসী,’ হাস্টনের বিক্ষোভে শিখ-কাশ্মীরিরা (ভিডিও সহ)


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। হাজার হাজার কাশ্মীরি, শিখ ও মানবাধিকার সংস্থার কর্মীরা টেক্সাসের হাস্টনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা পাকিস্তানিরাও অংশ নিয়েছেন।

অধিকৃত কাশ্মীরে সাংবিধানিক স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেয়ার পর সেখানে মোদির নেতৃত্বাধীন হিন্দুত্ববাদী ভারত সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানানো হয়েছে বিক্ষোভ থেকে।-খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও এবিসিথার্টিনের।

হিমালয় অঞ্চলটিতে পাশবিক বলপ্রয়োগ ও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে ভারত সরকার। গত ৫ আগস্ট উপত্যকাটিকে ভারতের সঙ্গে একীভূত করার পর সেখানে যোগাযোগ অচলাবস্থা জারি করেছে তারা।

মুসলমান অধ্যুষিত রাজ্যটিতে ধরপাকড়, গভীর রাতে বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে যুবকদের ধরে নিয়ে যাওয়াসহ বর্বর নৃশংসতা চালাচ্ছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী।

রোববার হাউসটনের একটি ফুটবল মাঠে হাউডি মোদিনামের এই জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদির পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও উপস্থিত ছিল।

এবিসি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, আন্তঃধর্মীয় মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস ফর অল ও তার মিত্ররা স্টেডিয়ামের বাইরে একটি বিশাল বিক্ষোভের আয়োজন করেছে। এতে মোদি, তুই ফিরে যা’, ‘মোদি হলেন সন্ত্রাসীবলে স্লোগান দিতে দেখা গেছে অংশগ্রহণকারীদের।

হাউসটন, ডালাস, অস্টিন ও সেন্ট অ্যান্টোনিওসহ বিভিন্ন শহর থেকে মুসলমান এবং শিখরা এসে বিক্ষোভে অংশ নেয়।

মোদির জনসমাবেশকে রুখে দিতে তারা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে এনআরজি স্টেডিয়ামের বাইরের সড়ক।

হাউসটনে রোববারের স্লোগানে শিখ সম্প্রদায়ের লোকজনও দলে দলে অংশ নিয়েছে। অর্ধশত বাসযোগে ৪০ হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে মোদির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

ভেন্যুর চারপাশে ভারত, মোদিবিরোধী ফেস্টুন ও ব্যানার দিয়ে ভরিয়ে দেয়া হয়। উইফরনিউজের খবরে বলা হয়েছে, ২০ হাজার পাকিস্তানি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী শিখ ধর্মীয় লোকজন মোদির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে জড়ো হয়েছে।

মোদির বিরুদ্ধে যখন তারা স্লোগান দিচ্ছিল, তখন সে মঞ্চেই ছিল। মোদিকে তারা ভারতীয় সন্ত্রাসবাদের চেহারা হিসেবে উল্লেখ কর।

সমাবেশে দেয়া বক্তৃতায় মোদিকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম নিবেদিত, সর্বাধিক অনুগত বন্ধু ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টেক্সাসের এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত বোধ করছি।

জবাবে মোদি বলে, হোয়াইট হাউসের সত্যিকার বন্ধু ভারত। সে ট্রাম্পকে উষ্ণ, বন্ধুসুলভ, সহজগম্য, উদ্যমী ও বুদ্ধিদীপ্ত নেতা হিসেবে উল্লেখ করে।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বলে, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা থেকে সর্বাধিনায়ক, পরিচালকমণ্ডলীর সভাকক্ষ থেকে শুরু করে ওভাল অফিস, স্টুডিও থেকে বৈশ্বিক মঞ্চ- সব জায়গায় সে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

মোদিবিরোধী বিক্ষোভকারীরা বলে, মোদির শাসনামলে ভারতে নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ভারতকে গণহত্যার নজরদারির তালিকায় রেখেছে।

পাঁচ বছর আগে সে ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশটিতে সামাজিক ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা মারাত্মক রূপ নিয়েছে।

সাঈদ আলী নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, কাশ্মীরে আট লাখ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানকার অধিবাসীদের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হয়েছে। তারা ঘর থেকে বের হতে পারছেন না।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, শিশুদের কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। উপত্যকাটির বাসিন্দাদের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে পুলিশ। আর ভারতীয় সেনারা তাদের গুলি করে হত্যা করছে। রাজ্যটির ইন্টারনেট ও টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে।

মোদিকে হাউসটনে স্বাগত জানানো হয়নি- সেই খবর তার কানে পৌঁছাতে চাচ্ছে বলে দাবি করে বিক্ষোভকারীরা।

গুরপাটওয়ান্ত পান্নু নামে একজন বলে, মোদির জন্য আমেরিকা নয়। আমেরিকা ন্যায়সঙ্গত জীবন ও সম্পদের পক্ষে। কিন্তু ঠিক তার বিপরীত হচ্ছে মোদি।

সে বলে, মোদি অন্ধ ও বধির। কারণ সে যদি কিছু দেখত, তাহলে কাশ্মীরে ৮০ লাখ লোককে সে হত্যা করতে যাচ্ছে বলেও ইতিমধ্যে দেখতে পেত।

এর আগে মার্কিনভিত্তিক কাশ্মীরি মানবাধিকারকর্মীরা মোদির বিরুদ্ধে হাউসটনে একটি মামলা করে। এতে কাশ্মীরে তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মসজিদের নগরী ঢাকা এখন ক্যাসিনোর শহরঃ রিজভী

মসজিদের নগরী ঢাকা এখন ক্যাসিনোর শহরঃ রিজভী


স্টাফ রিপোর্টার।। মসজিদের নগরী রাজধানী ঢাকা এখন ক্যাসিনোর শহরে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার সকালে নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, বিনাভোটের সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতিতে বিপর্যপ্ত দেশ। শেয়ারবাজার, ব্যাংক, কয়লা, পাথর, পর্দা, বালিশ, টিন, বই, চা, চেয়ার, টেবিল-সবকিছুতেই দুর্নীতি গিজগিজ করছে।

হঠাৎ বিস্ময়কর অভিযানে আবিষ্কার হলো শত শত কোটি টাকা, ক্যাসিনো, মদ ও জুয়ার আসরের খবর। শত শত বছরের মসজিদের শহর ঢাকা এখন ক্যাসিনোর শহরে উন্নতি লাভ করেছে শেখ হাসিনার উন্নয়নের সরকারের বদৌলতে।

তিনি বলেন, চারদিক ডুবে গেছে লুটপাট, খুন, ধর্ষণ, মদ, জুয়া, ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি আর অনাচারে। ক্ষমতাসীন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজদের হরিলুটে গোটা দেশ ফাঁপা ফোকলা হয়ে গেছে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, ব্যাংকে টাকা না থাকায় এখন সরকারি, আধাসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তহবিলে হাত দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় একটি ইতিবাচক আলোচনায় থাকতে দুর্নীতি-অনাচারের বিরুদ্ধে আকস্মিক অভিযান আইওয়াশ কিনা এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

কারণ লোক দেখানো এ অভিযানে অধরাই থেকে যাচ্ছেন মাদক ও দুর্নীতিবাজদের গডফাদাররা। আওয়ামী আমলে সমগ্র বাংলাদেশটাই ডন-গডফাদারদের কব্জায়।
ভারতে যে কোনো মুহূর্তে ঢুকে যেতে পারে মুজাহিদরাঃ ভারতীয় সেনাপ্রধান

ভারতে যে কোনো মুহূর্তে ঢুকে যেতে পারে মুজাহিদরাঃ ভারতীয় সেনাপ্রধান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোট সীমান্ত দিয়ে ৫০০ সন্ত্রাসী ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে। যে কোনো মুহূর্তে তারা ভারতে ঢুকে তারা নাশকতা চালাতে পারে। এমনটাই দাবি করেছেন ভারতের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত।

সোমবার চেন্নাইয়ে অফিসার্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বালাকোট দিয়ে ৫০০ মুজাহিদ ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য অপেক্ষা করছে।

এজন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারতীয় সেনাপ্রধান বলে, পাকিস্তান সম্প্রতি বালাকোটের মুজাহিদদের নতুন করে অনুপ্রবেশের জন্য তৈরি করছে। কারণ, ভারতের হামলার পর বালাকোট প্রায় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। মানুষ ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছিল। ওই অঞ্চল পুনরুজ্জীবিত করছে পাকিস্তান। পালিয়ে যাওয়া মুজাহিদরা আবার ফিরছে বালাকোটে।

বালাকোটে ধ্বংস হয়ে যাওয়া কয়েকটি মুজাহিদ আস্তানা নতুন করে নির্মাণের কথা রোববারই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছিল। সোমবার সেনাপ্রধান বিষয়টি স্পষ্ট করে হামলার আশঙ্কার কথাই জানালো।

কাশ্মীর নিয়ে ভারতের পদক্ষেপকে সামনে রেখে জইশ-ই- মুহম্মদের হামলার আশঙ্কায় রয়েছে তারা। শুধু জম্মু ও কাশ্মীর নয়, গুজরাট ও মহারাষ্ট্রও জইশের টার্গেটে রয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গেছে, ভারতে অনুপ্রবেশের জন্য পুঞ্চ ও রাজৌরি সেক্টরের ওপারে থাকা লঞ্চ প্যাডগুলোতে ইতিমধ্যেই অন্তত ১০০ মুজাহিদকে জড়ো করা হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরে হামলা চালানোই তাদের লক্ষ্য।
কাশ্মীরে ভারতের পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকিঃ ইমরান খান

কাশ্মীরে ভারতের পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকিঃ ইমরান খান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। কাশ্মীরসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের গৃহীত পদক্ষেপকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার আবারও হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

নিউইয়র্কে মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। এসময় পাক-মার্কিন সম্পর্কসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা করেন তারা। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের। কাশ্মীরে ভারতীয় বর্বরতার কথা তুলে ধরে ইমরান খান বলেন, অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনীর অত্যাচার সেখানকার নাগরিকদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। ভারতীয় পলিসির কারণে উপত্যকাটিতে এখন মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।

কাশ্মীর সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক মনোভাবের কথা স্মরণ করিয়ে ইমরান খান বিষয়টিতে তাদের কার্যকরী পদক্ষেপ কামনা করেন।

মঙ্গলবার থেকে বিশ্বনেতৃবৃন্দ বসছে জাতিসংঘের সাধারণসভায়। সংস্থাটির ৭৪তম বার্ষিকসভায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার বিষয়টি।

জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মালিহা লোধি বলেছেন, এবারের সাধারণসভায় পাকিস্তানের মূল এজেন্ডা হচ্ছে কাশ্মীর ইস্যু।

এর আগে জাতিসংঘের সাধারণসভায় যোগ দিতে স্থানীয় সময় শনিবার নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. আবদুল হাফিজ শেখ, প্রবাসী পাকিস্তানি বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী জুলফিকার আব্বাস বুখারী ইমরান খানের সঙ্গে রয়েছেন।