Previous
Next

সর্বশেষ

24 April 2019

বিএনপি নেতা শহিদুজ্জামানকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

বিএনপি নেতা শহিদুজ্জামানকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ তথ্য গোপন করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা দাখিলের অভিযোগে ঝিনাইদহ-৪ এর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মুহম্মদ শহিদুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গতকাল মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুদকের সহকারী পরিচালক মেফতাউল জান্নাত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।

তিনি বলেন, তথ্য গোপন করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামা দাখিলের অভিযোগে ঝিনাইদহ-৪ এর বিএনপির ওই সাবেক সংসদ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হচ্ছে বিকালে

সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হচ্ছে বিকালে

ফাইল ছবি
স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ। রাষ্ট্রপতি মুহম্মদ আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ৩ এপ্রিল এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

আজ বুধবার বিকাল ৫টায় বসছে একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন।

জানা গেছে, সংবিধান অনুযায়ী সংসদের এক অধিবেশন শেষ হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরেক অধিবেশন বসতে হবে।  সেই ৬০ দিনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার জন্যই এ অধিবেশন আহবান করা হয়েছে।

জুনে বাজেট অধিবেশনের আগে এ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। ফলে আসন্ন অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হতে পারে।
রানা প্লাজা ধসের ৬ বছর, আজও শঙ্কা কাটেনি আহতদের

রানা প্লাজা ধসের ৬ বছর, আজও শঙ্কা কাটেনি আহতদের

ফাইল ছবি
স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার ৬ বছর উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন শ্রমিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রানা প্লাজার সামনে এ মোমবাতি প্রজ্জলন কর্মসূচি পালন করেন। এদিকে ১১ দফা দাবিতে রানা প্লাজার সামনে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন রানা প্লাজার আহত শ্রমিকরা। আমরণ অনশনে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েন।

সাভারে রানা প্লাজা ধসে আহত শ্রমিকদের জীবনে আজও হাসি ফোটেনি। সরকারি-বেসরকারি নানা উদ্যোগের পরও ওই মৃত্যুকূপ থেকে ফিরে আসা আহত শ্রমিকদের মন থেকে ভয়, শঙ্কা কাটেনি। আহত শ্রমিকরা বলছেন, ৬ বছরের একটি রাতও নেই, যে রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে তারা জেগে ওঠেন না। আর শ্রমিক নেতা বলছেন, যে শ্রমিকরা ওই পরিস্থিতি থেকে বেঁচে ফিরেছেন, তাদের চিকিৎসা বা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। ক্ষতিপূরণের নামে যে থোক-বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাও ন্যায্য নয় বলে মনে করছেন আহত শ্রমিকরা।

৬ বছর পার হলেও ভবন নির্মাণে অনিয়ম, দুর্নীতি ও হত্যা মামলার কোনোটিরই বিচার শেষ হয়নি। দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলা অভিযোগ গঠনের অপেক্ষায় রয়েছে। বাকি দুই মামলার আসামিরা কেউ রিট, কেউ রিভিশন করায় কোনও অগ্রগতি নেই। এ মামলায় এখনও কারাগারে রয়েছে ভবন মালিক সোহেল রানা। ৪১ আসামির ২৯ জনই জামিনে।

হত্যা মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার আব্দুল মান্নান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, হত্যা মামলাটিতে চার্জ গঠনের পর উচ্চ আদালত থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ স্থগিত রাখা আছে।

দীর্ঘসূত্রতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা খুবই সাধারণ ঘটনা।

২৪ এপ্রিল। ২০১৩ সালের এইদিনে সাভারের রানা প্লাজা নামের ভবন ধসের ঘটনায় পাঁচটি পোশাক কারখানার শ্রমিকসহ এক হাজার ১৩৮ জন শ্রমিক-কর্মচারী নিহত হন। আহত হন আরও কয়েক হাজার। তাদের অনেকেই সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন। গত ৬ বছরে কারও শারীরিক অক্ষমতায় ঘর ভেঙেছে, কেউ কেউ ভবন ধসের আতঙ্কজনিত কারণে আর দোতলা ভবনেও ওঠেননি।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট। সাভারের নয়তলা ভবন রানা প্লাজার পাঁচটি কারখানার শ্রমিকরা দল বেঁধে প্রবেশ করছেন। তখনও তারা জানতেন না, কী ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে তাদের জন্য। সকাল ৮ টা ৪৭ মিনিটে একযোগে চালু করা হয় ডজন খানেক জেনারেটর। এর কিছুক্ষণের মধ্যে ধসে পড়ে ভবনটি। প্রায় এক হাজার শ্রমিক প্রাণ হারান ঘটনাস্থলেই। ভবনে আটকেপড়া ও হাসপাতালে মারা যাওয়া শ্রমিক মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ১৩৮ জনে। ঘটনায় আহত হন আরও কয়েক হাজার।

রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ১ হাজার ১৩৮ জনের লাশ পাওয়া গেলেও নিখোঁজ ছিলেন অনেকে। শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে দেওয়া তালিকায় নিখোঁজের সংখ্যা বলা ছিল ৩৭৯ জন। উদ্ধারকারীদের নেতৃত্ব দেওয়া সেনাবাহিনীর নিখোঁজ তালিকায় বলা হয়েছে ২৬১ জন। এর মধ্যে প্রথম দফায় ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে পাওয়া যায় ১৫৭ জনের খোঁজ। দ্বিতীয় দফায় পরিচয় মেলে আরও ৪২ শ্রমিকের। শ্রম মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্তদের মধ্যে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১৬২ জন। এদিকে ১৩ মে পর্যন্ত চলা উদ্ধার অভিযানে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল ২৫২৫ জনকে। বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশন এইডের সর্বশেষ গবেষণা বলছে, রানা প্লাজায় আহত শ্রমিকদের শতকরা ৪২ দশমিক ৪ শতাংশ এখনও বেকার।

এই বেকারত্বের প্রধান কারণ হিসেবে শ্রমিকদের শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বাংলাদেশ প্রতিদিনবলেন, এখনও ট্রমাটাইজড শ্রমিকেরা কাজে যেতে ভরসা পান না। তারা কাউন্সিলিংয়ের সময় চিকিৎসকদের নানা সময় বলেছেন, কিভাবে কাজে গেলে জেনারেটর ও মেশিনের শব্দ তাদের আবারও সেইসব স্মৃতিতে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের যেভাবে আর্থিক সহয়তা দেওয়া হয়েছে সেখানে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। শ্রমিকরা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে সেই অর্থ ব্যয়ে সক্ষম হননি।

বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স সলিডারিটির (বিসিডব্লিউএস) নির্বাহী পরিচালক কল্পনা আক্তার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমরা নিহত ও আহত সকল শ্রমিকদের আজীবন আয়ের পরিমাণই ক্ষতিপূরণ হিসেবে চেয়ে আসছি। যেটা কখনোই ২২ লাখ টাকার কম হবে না। কিন্তু তা মেলেনি। ফলে থোক বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলা যেতে পারে। হতাহতদের ক্ষতিপূরণের জন্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে মিলে আইলও’র নেতৃত্বে ৩০ মিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয় (৩২০ কোটি টাকা)।

শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার বিষয়টি সত্য বলে অভিহিত করে মানবাধিকারকর্মী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, কে কিসের ভিত্তিতে কত টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন, তার কোনও মাপকাঠি না থাকায় মালিক ও সরকার, উভয় পক্ষই শ্রমিককে ঠকাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, হাইকোর্ট থেক উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেটা কোথায় গিয়ে যেন আটকে আছে। রানাসহ এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের সবাইকে আইনের মুখোমুখি করা উচিত। রানা প্লাজার ঘটনার পর বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে ।
জেগে উঠতে পারে বিশ্বব্যপী ঝিমিয়ে পড়া উগ্রবাদীরাঃ ডিএমপি

জেগে উঠতে পারে বিশ্বব্যপী ঝিমিয়ে পড়া উগ্রবাদীরাঃ ডিএমপি


স্বদেশবার্তা ডেস্কঃ ঢাকা মহানগর মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপির) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলার ঘটনা বিশ্বজুড়ে ঝিমিয়ে পড়া উগ্রবাদীদের সজাগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তারা বাংলাদেশে কিছু করতে পারবে না। কারন বাংলাদেশে এখন আর সুসংগঠিতভাবে কোনো ধরনের ঘটনা ঘটানোর সক্ষমতা তাদের নেই।’ তবুও আইনশৃংখলা বাহিনী এব্যপারে যথেষ্ট সজাগ রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) আয়োজিত ‘মিট উইথ মনিরুল ইসলাম’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন ।
  
মনিরুল ইসলাম বলেন, শ্রীলঙ্কায় যেটি ঘটেছে সেটি সন্ত্রাসবাদ এ বিষয়ে কোণ সন্দেহ নাই। তবে শ্রীলঙ্কায় কালচার অব ভায়োলেন্স রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গৃহযুদ্ধ চলেছে। মুসলমানরা সেখানে খ্রিষ্টানদের থেকেও সংখ্যা গরিষ্ঠ। মুসলিম এবং খ্রিষ্টানদের মধ্যে কোণ সংঘাত ছিল না। আবার এলটিটি কখনো কোন ধর্মীয় গ্রুপকে টার্গেট করে হামলা চালায়নি। তারা গভর্নমেন্ট ম্যাকানিজমের সঙ্গে জারা জড়িত তাদের ওপর হামলা করেছে। কোন সিভিলিয়নদের ওপর হামলা করেনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইএসএর কোন খলিফা নাই। এটা ইরাক সিরিয়াতে থাকতে পারে। বাংলাদেশ থেকে যারা আইএসএ গিয়েছে তাদের অধিকাংশ ২০১৪ সালের মধ্যে গিয়েছে। এদের পাসপোর্ট এর মেয়াদ ইতমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। সিরিয়া থেকে তাদের বাংলাদেশে ফেরত আসতে গেলে এয়ারক্রাফট আসতে হবে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশি আইডেনটিটি লাগবে। পার্শ্ববর্তী দেশের কোণ দূতাবাস থেকে ট্রাভেলপাশ সংগ্রহ করতে হবে। যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

মনিরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ উগ্রপন্থা ও সহিংসতাকে সমর্থন করে না। এক্ষেত্রে মিডিয়ারও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে যেন উগ্রবাদ নিয়ে সংবাদ এমন ভাবে প্রকাশ না করা যাতে তাদের প্রতি মানুষের সহানুভূতি বাড়তে পারে। ‘সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে বস্তুনিষ্ঠ ভাবে কাজ করতে হবে। যেমন জিহাদ, শহীদ, মুজাহিদ এই শব্দ গুলো ব্যবহার আপনারা না করেন। কারণ এটার একটা ধর্মীয় ইতিবাচক অর্থ রয়েছে। সন্ত্রাসবাদীরা আসলে খুনি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে যদি আমরা সতর্ক দৃষ্টি না রাখি এবং তাদের অবস্থান দীর্ঘ মেয়াদি হয় তাহলে তারা ভবিষ্যতে উগ্রবাদে জড়িয়ে যেতে পারে। কারণ এখন যারা আছে তারা বেশির ভাগই শিশু ও নারী। এই শিশুরা যখন অ্যাডাল্ট হবে তখন তাদেও প্রতি হওয়ায় অত্যচার নিপীড়ন থেকে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়ে উগ্রবাদে জড়িয়ে পরতে পারে। তবে এই মুহূর্তে তেমন কোণ আশঙ্কা নেই।’

অনুষ্ঠানের আরও উপস্থিত ছিলেন ক্রাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল খায়ের, ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মো. মাসুদুর রহমান, ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ারসহ সংগঠনের সিনিয়র সদস্যরা।
মিয়ানমারে খনি ধসে ৫৪ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

মিয়ানমারে খনি ধসে ৫৪ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

ছবিঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলের কাচিনে একটি রত্নপাথরের খনি ধসে অন্তত ৫৪ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের মতে, সোমবার রাতে হপাকান্ত এলাকার ওই খনিতে শ্রমিকরা যখন ঘুমিয়ে ছিলেন তখন ধসের ঘটনা ঘটে।

তাদের কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, খনি ধসের ঘটনা এতই ভয়াবহ যে সেখানে একটি কাদার লেক তৈরি হয়েছে।

কাদায় তলিয়ে গেছে অন্তত ৪০টি গাড়ি। তিনি বলেন, ৫৪ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। মাত্র তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

যাদের খোঁজ মিলছে না তাদের বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। খবর আলজাজিরার। মিয়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয় দুর্ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে উদ্ধার কাজে ব্যস্ত কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। মিয়ানমারে খনিগুলোর নিরাপত্তা খুবই কম এবং প্রায়ই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে।